Posts

Showing posts with the label ART

You Don’t Just Learn Art Here —You Discover Who You Are By - Dr. Asit Kumar Maity

Image
 You Don’t Just Learn Art Here —You Discover Who You Are  By - Dr. Asit Kumar Maity  There’s a silence that fills the room just before a student makes their first brushstroke. It’s not fear. It’s focus. It’s possibility. At our art school, that silence is sacred. It’s the space between self-doubt and self-expression. And it’s in that space that something beautiful begins. Art Is Not About Perfection We don’t believe in perfect lines or flawless technique as the end goal. We believe in process. In exploration. In that messy, magical space where mistakes lead to breakthroughs. Because art isn’t only about what you make — it’s about what you find along the way: Confidence where there used to be hesitation. Voice where there used to be silence. Identity where there used to be imitation. Every canvas, every sculpture, every short film, every photograph — it’s all a mirror. Not just of the world, but of the person holding the brush or the camera. What We Teach Can’t Be Goo...

সেই গন্ধটা আজও আছে (পর্ব - ১) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
সেই গন্ধটা আজও আছে      আ জকের শহর থেকে কয়েক মাইল দূরে এই পাড়াগাঁ। অচেনা শবর টাউনেরই একটা কোলে রয়েছে। জায়গাটা   অজ পাড়াগাঁ। রাস্তার দুপাশে জঙ্গলের জটলা আর চারিপাশের বাচামরা লতাপাতার মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে পা গুলোর স্পর্শে ধূলি-বালির কণাগুলো আবার তাদের আনন্দের জীবন গতি ফিরে পায়। স্বাচ্ছন্দে আবারও বাতাসে ভেসে বেড়াতে চেষ্টা করেছে। প্রথম প্রথম পাড়াগাঁ বলেই মনে হয়েছিল। ধীরে ধীরে যত এগোচ্ছি এই ধারানাটা নিমেষেই হারিয়ে যাচ্ছে। গাছ পাতার আড়ালে- আবডালে দ্বিতল- ত্বি-তল বাড়িগুলো   আমার সাথে লুকোচুরি খেলায় মেতেছে। সেখানেই রয়েছে দু-একটা টিউবওয়েল যেগুলো ব্যবহার না হওয়ায়, নিজেদের অস্তিত্ব হারাতে বসেছে, আর ঘরগুলির ভাঙ্গা সার্সি, লোহার পাইপ দেখে মনেই হবেনা সেখানে আগে একটা পাড়াগাঁ ছিল। দু একটা ভাঙ্গা টিনের চালা, যেগুলো সক্ত-পোক্ত কাঁচা ইট আর টালির বাড়ি ছিল,তারা আজ নিজেদের কঙ্কালসার পাঁজর নিয়ে কোনমতে নিজের এলাকাটাকে টিকিয়ে রেখেছে।দু-পা গেলেই একটা বিসাল প্রশস্থ নর্দমা, তার দুপাশ সুন্দর মোজাইক করাছিল। আজ তারও করুন অবস্থা, গলাভর্তি শ্যাওলা তাঁরই মধ্যে দুএকটা বাচ্চা ব্যাঙ লাফালাফি করছে।...

Indian Calendar: A Cultural and Historical Perspective

Image
Indian Calendar: A Cultural and Historical Perspective  By Dr. Asit Kumar Maity  Abstract   The Indian calendar is a complex lunisolar timekeeping system that has guided Indian society for millennia. This article provides an overview of its historical origins, regional adaptations, astronomical foundations, cultural significance, and relevance in contemporary India. Drawing from ancient scriptures, astronomical treatises, and modern academic sources, it highlights the Indian calendar as both a scientific achievement and a cultural cornerstone.  Introduction  The Indian calendar is one of the oldest and most intricate timekeeping systems in the world. It integrates both lunar and solar cycles, serving to track time, organize festivals, and coordinate agricultural and religious practices. The calendar’s origins can be traced back to the Rigveda , which states: “The year is divided into twelve months, and each month is divided into two fortnights” (Rigveda, 1...

গোধূলি - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
অভি বহুদিন পর পড়াশোনা শেষ করে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিল, অনেকটা পথ তাই গ্রামের কথা মনে করতে করতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছে সে খেয়াল তার নেই। প্রায় ঘন্টাখানেক পরে কন্টডাকটারের ডাকে ঘুম ভাঙতে দেখে পাশে ইন্দ্রাণী বসে। ইন্দ্রাণী বলল কি, “বাবুর ঘুম ভাঙল। অভি : হ্যাঁ, এই আর কি। তা তুই হঠাৎ? ইন্দ্রাণী : সুমি কাছে খবর পেলাম তুই আসছিস তাই চলে এলাম। অভি : তাই বলে এখানে, মানে বাসে কীভাবে? ইন্দ্রাণী : আরে পাগল পরের স্টপেজেই বাস থামবে ওখানে বড় মেলা হচ্ছে। তাই বাসের নো এন্ট্রি। চল ওখানে নেমে আমরা একটু মেলা ঘুরে বাড়ি যাব। অভি : আচ্ছা। মেলায় নেবে সবার মত অভি আর ইন্দ্রাণী একটু ঘোরাঘুরি করে ফুচকা, মালাই খেয়ে হাঁটাপথে বাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে যেতে ইন্দ্রাণী বলল, "অভি এবার একটা কিছু উপায় বের করিস নয়ত বাবা আমার বিয়ের জন্য খুব তাগাদা দিচ্ছে, আমি এই নয় ঐ নয় করে তিনটি বছর কাটিয়ে দিলাম এবার কি করব জানি না। আমি আসছি একটু ভেবে দেখিস, কাল বিকেলে সুমি পড়তে আসবে ওকে নিয়ে আসিস।” অভি : (মৃদু স্বরে বলল) হ্যাঁ। খোলা আকাশের নীচে গোধূলির শেষ প্রহরে ঝিঁঝিঁর ডাকের সাথে অভি এগিয়ে চলল কালো পিচ রাস্তা থে...

অ ন্ত রা লে (৬ ষ্ঠ খণ্ড) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
  অ  ন্ত  রা  লে (প্রচ্ছদ - ডঃ অসিত কুমার মাইতি)  অভি ঐ দিন আর ক্লাস বেশিক্ষণ না করেই ছুটি দিয়ে সোজাসুজি অপূর্বার বাড়ি চলে আসে । বাইরে শুভমিতা দাঁড়িয়ে ছিল । অভিকে দেখে কাছে এসে বলল — দিদির খুবই খারাপ অবস্থা , শুধু তোমাকে একবার দেখতে চাইছে । অভি হন্তদন্ত হয়ে অপূর্বার ঘরে এল । অপূর্বা বিছানায় শুয়ে তখন শেষ বাক্যালাপ এর প্রতীক্ষায় রয়েছে । অভি অপূর্বার পাশে গিয়ে বসতেই দেখল অপুর চোখের কোন থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে । নিজের হাতটা দিয়ে অপুর হাতটা ধরতেই , অপু বলল এই হাতটা ধরতে তোর এতগুলো দিন পার হয়ে গেল … আর কিছু বলতে পারল না । অভি ঢুকরে কেঁদে উঠলো , অপু আর নেই । অভি ছোট্ট বাচ্চার মতো কাঁদতে কাঁদতে বলল , মঙ্গলবারই তো বিয়ে করে নেব বলেছিলাম আর তুমি এখন ছেড়ে যাবে বললে হবে । এই বলে মন্দিরের সিঁদুর দিয়ে অপুর মাথা রাঙা করে দিল । কান্নায় স্বপ্নরেখা দেবী ভেঙে পড়েছে , অভি সান্তনা দিয়ে বলল — মা অপু তো যায়নি কোথায় যাবে , এই দেখো আমি তো ওকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দিয়েছি । অপুর কোনো ভাই ছিল না তাই অভিই অপূর্বার শেষ কাজ সম্পন্ন করল । চিতাগ্নির কাছে...

অ ন্ত রা লে (৫ ম খণ্ড) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
  অ  ন্ত  রা  লে (প্রচ্ছদ - ডঃ অসিত কুমার মাইতি)  অভিরাজ এরপর বারংবার যোগাযোগ করতে চেয়েও করতে পারেনি , শেষমেশ বাধ্য হয়ে কারণটা জানতে কলকাতায় অপূর্বার নার্সিংহোমে চলে এল । নার্সিংহোমের রিশেপশানিষ্ট কে অপূর্বার কথা জিজ্ঞেস করতে বলল , উনি এক মাস ছুটিতেই আছে । অভি ফিরে আসে । এক মাস পর আবারও নার্সিংহোমে এসে খোঁজ নিল , পুনরায় রিশেপশানিষ্ট বলল , ম্যাডাম একটি এমারজেন্সি লিভ নিয়েছেন তিন দিন আগে । কোনো বিশেষ সূচনা থাকলে জানাতে পারেন আমরা খবর করে দেব । কথাটা শেষ হতে না হতেই , অভির ফোনে একটি অপরিচিত ফোন আসে – ফোনটা ধরতেই ফোনের ওপার থেকে বলল , দাদা আমি অপু দিদির পাশের বাড়ির ভাই অর্ঘ । অভি জিজ্ঞেস করল – ভাই দিদি কোথায় ? ওদিকে সবকিছু ঠিক আছে তো ? অর্ঘ   ভয়ে বলল - না , দাদা এখানে কিছুই ঠিক নেই । দিদি মাস খানেক ধরে অসুস্থ , সারাদিন বিছানাতেই রয়েছে বার দুয়েক ডাক্তার ও এসেছিল । এখন বাড়িতেও অবস্থা খুবই খারাপ , অক্সিজেন সিলিন্ডার চলছে । তুমি জান কিনা জানি না , আমাকে শুভমিতা ( অপূর্বার বোন ) একবার এটা জানাতে বলেছিল । তুমি পারলে একবার এসো । রাখ...

মিঃ পারফেক্ট - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
কি রে তোর মন খারাপ কেন? কিছু কি হয়েছে? সুদীপ এর প্রশ্নে অনু ট্রেনের জানালার দিক থেকে মুখটা সুদীপের দিকে ঘুরিয়ে বসল। -        আরে না না তেমন কিছু নয়। -        বলতে পারিস যদি এখনও বন্ধু ভাবিস। -        এরকম বলিস না। আসলে আকাশ এর সাথে একটু ঝামেলা হয়েছে, তাই মনটা একটু খারাপ আছে।কি করব ঠিক ভেবে পাচ্ছি না। -        কি হয়েছে? -        তুই তো জানিস আমি আকাশকে কতটা ভালোবাসি, কিন্তু সে আর বুঝলো কই। -        কেন কি হয়েছে? এই তো সেদিন তোরা বেশ কোথায় ঘুরতে গেছিলি। সেখানে কি কিছু হয়েছে? -        না রে সেখানে সব ঠিক ছিল। মুর্শিদাবাদ থেকে আসার তিন দিন পর আকাশ এর মাসির মেয়ের বিয়ে ছিল। ওর মাসির বাড়ির অবস্থা খুব ভালো। ওর মেসো আই পি এস অফিসার। আর ওর বাবার তো লিকার দোকান আছে। তাই ঐ বিয়ে বাড়িতে লিকারের একটা বিশাল স্টল ছিল, সেটা আকাশ আর ওর মাসির ছেলে রোহান দেখছিল। সেখনেই ওরা দুই ভাই সব...

অ ন্ত রা লে (৪র্থ খণ্ড) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
  অ  ন্ত  রা  লে (প্রচ্ছদ - ডঃ অসিত কুমার মাইতি)            অভি আর নিজের চোখের জলের স্রোতে বাঁধ দিতে পারেনি। আজ বহুদিনের একটা সুপ্ত ভয় সত্যি হল। অপু চলে গেল তার থেকে অনেক দূরে বহু চেষ্টা করেও অভি কোনোভাবেই অপূর্বা সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি। অভি নিজেকে খাঁচার বদ্ধ একটা পাখির মতো কয়েকটা দিন কাটিয়ে দিল। তারপর মনে মনে আশার একটা স্বপ্ন ছবি এঁকেছিল। যেখানে তার প্রিয়া অপূর্বা আবারও ফিরে আসছে। নিজেকে ধীরে ধীরে শক্ত করে আজ কয়েকটা বছর কাটিয়ে দিল অভি।       নিজস্ব পারদর্শীতায় খাড়া হয়ে, অভিরাজ বিশ্ববিদ্যালয় অতিক্রম করেই একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করে দেয়। একদিন হঠাৎ একটা বন্ধুর অসুস্থতার খবর পেয়ে ছুটে যায় কলকাতার এক নার্সিংহোমে, সেখানে বন্ধু অমিতের সাথে দেখা করবার পর একজন নার্সকে জিজ্ঞেস করতে যায়, অমিতকে কবে ছেড়ে দেওয়া হবে। নার্সের সামনে গিয়ে অভি আর কিছুই জিজ্ঞেস করতে পারেনি। শুধুই আনমনে হঠাৎ কী একটা ভাবছিল!   নার্স যখন বলল তুমি অভি তো?   কেমন আছো? ...