Posts

Showing posts with the label ART EDUCATION

You Don’t Just Learn Art Here —You Discover Who You Are By - Dr. Asit Kumar Maity

Image
 You Don’t Just Learn Art Here —You Discover Who You Are  By - Dr. Asit Kumar Maity  There’s a silence that fills the room just before a student makes their first brushstroke. It’s not fear. It’s focus. It’s possibility. At our art school, that silence is sacred. It’s the space between self-doubt and self-expression. And it’s in that space that something beautiful begins. Art Is Not About Perfection We don’t believe in perfect lines or flawless technique as the end goal. We believe in process. In exploration. In that messy, magical space where mistakes lead to breakthroughs. Because art isn’t only about what you make — it’s about what you find along the way: Confidence where there used to be hesitation. Voice where there used to be silence. Identity where there used to be imitation. Every canvas, every sculpture, every short film, every photograph — it’s all a mirror. Not just of the world, but of the person holding the brush or the camera. What We Teach Can’t Be Goo...

সেই গন্ধটা আজও আছে (পর্ব - ১) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
সেই গন্ধটা আজও আছে      আ জকের শহর থেকে কয়েক মাইল দূরে এই পাড়াগাঁ। অচেনা শবর টাউনেরই একটা কোলে রয়েছে। জায়গাটা   অজ পাড়াগাঁ। রাস্তার দুপাশে জঙ্গলের জটলা আর চারিপাশের বাচামরা লতাপাতার মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে পা গুলোর স্পর্শে ধূলি-বালির কণাগুলো আবার তাদের আনন্দের জীবন গতি ফিরে পায়। স্বাচ্ছন্দে আবারও বাতাসে ভেসে বেড়াতে চেষ্টা করেছে। প্রথম প্রথম পাড়াগাঁ বলেই মনে হয়েছিল। ধীরে ধীরে যত এগোচ্ছি এই ধারানাটা নিমেষেই হারিয়ে যাচ্ছে। গাছ পাতার আড়ালে- আবডালে দ্বিতল- ত্বি-তল বাড়িগুলো   আমার সাথে লুকোচুরি খেলায় মেতেছে। সেখানেই রয়েছে দু-একটা টিউবওয়েল যেগুলো ব্যবহার না হওয়ায়, নিজেদের অস্তিত্ব হারাতে বসেছে, আর ঘরগুলির ভাঙ্গা সার্সি, লোহার পাইপ দেখে মনেই হবেনা সেখানে আগে একটা পাড়াগাঁ ছিল। দু একটা ভাঙ্গা টিনের চালা, যেগুলো সক্ত-পোক্ত কাঁচা ইট আর টালির বাড়ি ছিল,তারা আজ নিজেদের কঙ্কালসার পাঁজর নিয়ে কোনমতে নিজের এলাকাটাকে টিকিয়ে রেখেছে।দু-পা গেলেই একটা বিসাল প্রশস্থ নর্দমা, তার দুপাশ সুন্দর মোজাইক করাছিল। আজ তারও করুন অবস্থা, গলাভর্তি শ্যাওলা তাঁরই মধ্যে দুএকটা বাচ্চা ব্যাঙ লাফালাফি করছে।...

দীপ্তি-তিমির আলয় (পর্ব ৬) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
  পর্ব ৬: জীবনের চিরন্তন পথ     দীপ্তি-তিমির আলয় এখন আর একটি ছোট্ট স্কুল নয়। ধনীবাঁধ গ্রামের এক কোণে, যেখানে আগে শুধুমাত্র পাথরের গন্ধ আর মাটির কণা ছিল, সেখানে আজ হালকা রোদে ভরে গেছে। সনাতন ঘোষের স্কুল এখন আঞ্চলিক পুরস্কার পাচ্ছে, শহর জুড়ে তার ছাত্রদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। কিন্তু সনাতন জানে, এই সাফল্য আর বাহবা তার একার নয়—এটা তার ছাত্রদের, তাদের পরিবার, আর গ্রামের অব্যক্ত প্রার্থনার ফল।   তবে সনাতন কখনো খুব বড়ো কিছু চায়নি। সে চেয়েছিল তার ছাত্ররা বুঝুক—শিল্প শুধু একটি প্রক্রিয়া নয়, এটা জীবনের এক বিশেষ ভাষা। সেদিন যখন তার ছাত্ররা স্কুলের নতুন কাঠামো দেখতে পায়, তার চোখে সেই একই দীপ্তি, সেই একই ঝলমলে আশার আভা ছিল, যা কখনো মাটির পথে শুরু হয়েছিল।    সত্যিকারের পরিণতি     এখন, ধনীবাঁধ গ্রামের চেহারা বদলে গেছে। আগের সেই ক্ষুদ্র একাডেমিক স্কুলটি শহরের বড় বড় কলেজের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করছে। এখানে শিল্পের শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মশালা, আলোচনা সভা, সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সনাতন ঘোষ, যিনি একদিন শুধুমাত্র একজন গৃহশিক্ষক ছিলেন, আজ তাঁর স্কুল হয়ে উঠেছে সমাজে আলো...

দীপ্তি-তিমির আলয় (পর্ব ৫) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
পর্ব ৫ : নতুন দিগন্তে দীপ্তি   একবার শহর দেখে, সনাতন আবার গ্রামে ফিরে আসলে, তাঁর মধ্যে একটা অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। শহরের আলো, বড় বড় শহরের প্রদর্শনী, প্রচুর প্রশংসা—এই সব কিছুই তাকে ভাবতে শেখায়। কিন্তু সত্যি বলতে, সে জানত যে, গ্রামের মাটির সাথে তার সম্পর্ক অনেক গভীর। সেখানেই তার মূল শক্তি, তার শক্তি ছিল তার ছাত্রদের মাঝে।   যতদিন সে শহরে ছিল, ততদিন তার মনে গভীর ভাবে একটা প্রশ্ন উকি দিয়ে যাচ্ছিল— “কীভাবে আমি আমার স্কুলটাকে আরও বড়ো করে তুলতে পারি?”   ধনীবাঁধে ফিরে, সনাতন তখন থেকেই তার নতুন পরিকল্পনা আঁটতে শুরু করল। সবচেয়ে প্রথম কাজ ছিল— স্কুলের নামের পরিবর্তন। “দীপ্তি-তিমির আলয়” তার মনের কাছে এক বিশেষ অর্থ নিয়ে এসেছিল। তার ছাত্রদের মাঝে যে আশার আলো ছিল, সেটাই সবার কাছে পৌঁছাতে হবে। এত দিন ধরে গ্রামের সীমানার মধ্যে সে যেটি প্রতিষ্ঠিত করেছে, তা এবার আরও বেশি মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। নতুন পথের শুরু একদিন দুপুরে, সনাতন তার ছাত্রদের বলল—  “আমরা এবার আমাদের স্কুলটাকে অন্য এক জায়গায় নিয়ে যাব। এটা আর শুধু আঁকার স্কুল নয়, আমাদের শিক্ষা হবে এক নতুন পথের আলো। এখানে শু...

দীপ্তি-তিমির আলয় (পর্ব ৪) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
পর্ব ৪: শহরের পথে, গ্রামের আলো হাতে     গভীর চট্টোপাধ্যায়ের ফোনের পর সনাতন একদম নিশ্চিন্ত ছিল না। প্রথমবার শহরে, প্রদর্শনী, অচেনা লোকেরা—সব কিছুতেই একটা অস্বস্তি ছিল। একদিকে সে এতদিন গ্রামের আলো আঁকতে দেখেছে, অথচ আজ সেই আলো শহরের গাঢ় অন্ধকারে পড়বে কী? কিন্তু তিনি জানতেন, এ সুযোগ ছাড়া কখনোই বুঝতে পারবে না তার কাজ কোথায় গিয়ে থামে।    যত দিন গেছে, ততই সেই প্রদর্শনীর তারিখের কাছে পৌঁছে আসছিল। সনাতন তার ছাত্রদের সঙ্গে একেবারে অন্যরকম এক উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করছিল। যে শিল্পীরা কখনো নিজেদের ছবি একসঙ্গে এঁকেও দেখেনি, তারা এখন একে অপরের ছবিতে নতুন করে প্রাণ দিচ্ছিল।  “আমরা দেখাবো কীভাবে একে অপরকে আলো দেয়। একে অপরকে আঁকে।”      শহরে প্রথম পদার্পণ   পরদিনই সনাতন তার ছাত্রদের নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিলেন। গ্রামের ছেলেমেয়েরা একেবারে নতুন শহরের পরিবেশে, তাদের চোখে কৌতূহল আর উত্তেজনা। শহরটা ছিল বিশাল, যেন এক বিরাট দানব—ভিড়, গাড়ি, বিলবোর্ড—সব কিছুতেই অচেনা।  “এই শহরকে কি আমার ছবি দেখে চিনতে পারব?” সনাতন মনে মনে ভাবছিল।  তবে যখন তা...

দীপ্তি-তিমির আলয় (পর্ব ৩) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
  পর্ব ৩: দেয়ালে দেয়ালে আলো আঁকা দিন   ধনীবাঁধ গ্রামে বসন্ত মানেই হালকা বাতাস আর কুসুমে ভরা গাছ। এমন এক বিকেলে, সনাতন তার ক্লাস শেষ করে যখন উঠছিল, এক মা এসে বললেন, “স্যার, পুজোর সময় না হয় মণ্ডপে কিছু আঁকিয়ে দেবেন? আপনি আর আপনার ছেলেমেয়েরা?” সনাতন অবাক। এতদিন যে আঁকা ছিল উঠোনের কোণায়, সেটা এবার গ্রামের দুর্গাপুজোর মূল মণ্ডপে?   সে একটুও না ভাবেই রাজি হয়। পরদিন থেকেই শুরু হয় প্রস্তুতি। কুড়িজন ছাত্রছাত্রী, সাদা রঙের বালতি, পুরনো তুলির ঝুড়ি, আর দেয়াল—এ যেন এক বিশাল ক্যানভাস। ছবির থিম ছিল “আলোকের আহ্বান”। একদিকে কুমোরের চাকা ঘোরে, মাটির মা আসেন। অন্যদিকে একজন বালক রাতের আকাশে হাতে প্রদীপ ধরে হাঁটে। ছবির মাঝখানে — “দীপ্তি-তিমির আলয়” লেখা কালো কালি দিয়ে। মানুষ প্রথমে অবাক, পরে মুগ্ধ।   পুজোর সন্ধ্যায় এক বৃদ্ধ পণ্ডিত এসে বলেন, “ছবি দেখে মনে হয়, মাটির মধ্যে থেকেও আলো জ্বলে।   প্রথম প্রদর্শনী, প্রথম দুঃখ সেই বছরই জেলা থেকে একটি NGO আয়োজিত ‘শিশু শিল্প প্রদর্শনী’-র খবর আসে। সনাতন নিজের ছাত্র জিতু, মল্লিকা, আর এক প্রতিবন্ধী বালিকা বর্ণালী-র ছবি পাঠান...

দীপ্তি-তিমির আলয় (পর্ব ২) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
  পর্ব ২: মাটির চৌকিতে বসে স্বপ্ন বোনা   বাবার মৃত্যুর পর সংসারের হাল ধরা সহজ ছিল না। মা ভোরবেলা অন্যের বাড়ি রান্না করে আসতেন, আর সনাতন সকালে গিয়ে মাঠে বীজ ছিটিয়ে আসত। তারপর দুপুর গড়িয়ে বিকেল, যেখানে তার সবচেয়ে প্রিয় কাজ—ছবি আঁকা। কিন্তু এখন আর সময় নেই শুধু নিজের জন্য আঁকার। পেটে ভাত না থাকলে, তুলি তুলে আকাশ আঁকা যায় না। তাই একদিন সনাতন সিদ্ধান্ত নিল, “আমি শেখাব। যারা চায়, তাদের আঁকতে শেখাব।” প্রথম ছাত্রী এল পাশের বাড়ির রেনু—মাত্র ছয় বছরের মেয়ে, কাগজে গোল গোল দাগ কাটে, তারপর সেগুলোকে পাখির চোখ বানায়।   সনাতন তাকিয়ে হেসে বলে, “তুই পাখি আঁকিস না, তুই তো আকাশ আঁকিস!”   সেই শুরু। দিনে দিনে ২ থেকে ৪, ৪ থেকে ৭… ছেলেমেয়েরা আসতে লাগল। কেউ বলত—“আমরা স্কুলে যাই না স্যার”, কেউ বলত—“বই ভাল্লাগে না”, কিন্তু সনাতনের আঁকার ক্লাসে তারা নীরবে তুলি চালাত।   প্রথমে উঠোনে হতো ক্লাস। বটগাছের ছায়ায় কাঁথা বিছিয়ে চলত চিত্রকলা। তাদের টুল ছিল ইট, খাতা ছিল পুরনো খাতা, রঙ ছিল কাঠের বাক্সে রাখা কিশোর কাগজের চিত্রতুলির গুঁড়ো।   একদিন এক ছাত্র বলল, “স্যার, আমাদের এই স...

দীপ্তি-তিমির আলয় (পর্ব ১) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
পর্ব ১: কাদায় মিশে থাকা ক্যানভাস “ও চোখ দিয়ে আঁকে, হাত দিয়ে নয়।’’ ধনীবাঁধ গ্রামের আকাশটাও যেন অন্যরকম ছিল। কখনো থমথমে, কখনো ধু-ধু। কিন্তু ছোট্ট সনাতন ঘোষ সেই আকাশের নিচে অন্য এক পৃথিবী খুঁজত। তার বয়স যখন আট, তখন তাকে পাওয়া যেত পুকুরের পাড়ে, যেখানে সে লতাপাতা, মাটি, ছেঁড়া কাগজ দিয়ে কিছু না কিছু আঁকত। কেউ একে খেলা ভাবত, কেউ "বোকামো" বলত। কিন্তু মা বলতেন, “ও চোখ দিয়ে আঁকে, হাত দিয়ে নয়।’’ বাবা ছিলেন সহজ মানুষ। ভোরে মাঠে যেতেন, সন্ধ্যায় ফিরতেন নীরব হয়ে। সংসার চলত খড়ের চাল, একটা ভাঙা চৌকি আর ঝুড়িভর্তি স্বপ্ন নিয়ে। সনাতন যখন মাটি দিয়ে প্রথম গরুর ছবি আঁকে, বাবা হেসে বলেন, “গরুটা কাঁদায় হাঁটছে, রে! তুই তো সত্যিই আঁকছিস!”  প্রথম স্কুলে যাওয়া হয় আট বছর বয়সে। হাতে ছেঁড়া খাতা, পকেটে পেন্সিল। শিক্ষকরা সনাতনের খাতায় অংক বা বাংলা না দেখে বিরক্ত হতেন।  “তুই তো সব পাতায় শুধু আঁকা আঁকিস! এভাবে কিছু হবে না।” কিন্তু তার একটা শিক্ষক ছিল—হরিপদ মাস্টার। সাদা ধুতি, পাতলা চশমা আর একরাশ মমতা নিয়ে বলতেন, “ওর খাতা না, ক্যানভাস। সময় এলে বুঝবি।” সনাতনের মনে সেই সময় ‘শিল্পী’ হওয়ার ইচ্ছেটা বীজের মত বপন হয়। ক...

🎨 রঙে রঙে অচিনপুর🎨 এক অচেনা চিত্রশিল্পীর গল্প - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
বাংলার এক কোণায়, যেখানে পাকা রাস্তা শেষ হয়ে ধুলোমাখা কাঁচা পথ শুরু হয়, সেই অজানা গ্রামটার নাম অচিনপুর। খুব বেশি কেউ চেনে না এই জায়গাটাকে — না কোনো মানচিত্রে, না কারো স্মৃতিতে। যেন একটা হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নের মতো, কুয়াশা ঢাকা ভোরে যার অস্তিত্ব বোঝা যায় শুধু তার নিঃশব্দ সৌন্দর্যে। সেই গ্রামে বাস করে রঘু, একজন চিত্রশিল্পী — যদিও সে নিজেকে কখনো “শিল্পী” বলে পরিচয় দেয় না। তার জন্য ছবি আঁকা মানে কোনো পেশা নয়, একধরনের প্রার্থনা।   তার বয়স এখন প্রায় চল্লিশ, কিন্তু চেহারায় একরকম সময়হীনতা রয়েছে। যেন তার চোখ দুটো বহু বছর ধরে দেখে চলেছে এমন কিছু যা আমরা কেউ দেখার সময় পাই না। রঘুর জন্মও এই গ্রামেই। বাবার ছিল একখানি ছোট পানের দোকান। সংসার খুব একটা সচ্ছল ছিল না। ছোটবেলাতেই মা হারান, আর বাবা কড়া হাতে মানুষ করতেন। বই-খাতা যতটা দরকার, তার বাইরে কিছু না।   তবে রঘুর মন তো বাঁধ মানত না — সে দুনিয়াটাকে দেখতে চাইত রঙে, আকারে, আলো-ছায়ায়।   মাটিতে কাঠকয়লা দিয়ে আঁকা তার প্রথম চিত্র — একটা গরুর গাড়ি, পাশে বসে থাকা ছোট্ট একটা ছেলে। বাবা দেখে বলেছিলেন, "এসব হাবিজাবি করলে পেটে ভাত জুটবে...

Indian Calendar: A Cultural and Historical Perspective

Image
Indian Calendar: A Cultural and Historical Perspective  By Dr. Asit Kumar Maity  Abstract   The Indian calendar is a complex lunisolar timekeeping system that has guided Indian society for millennia. This article provides an overview of its historical origins, regional adaptations, astronomical foundations, cultural significance, and relevance in contemporary India. Drawing from ancient scriptures, astronomical treatises, and modern academic sources, it highlights the Indian calendar as both a scientific achievement and a cultural cornerstone.  Introduction  The Indian calendar is one of the oldest and most intricate timekeeping systems in the world. It integrates both lunar and solar cycles, serving to track time, organize festivals, and coordinate agricultural and religious practices. The calendar’s origins can be traced back to the Rigveda , which states: “The year is divided into twelve months, and each month is divided into two fortnights” (Rigveda, 1...

গোধূলি - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
অভি বহুদিন পর পড়াশোনা শেষ করে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিল, অনেকটা পথ তাই গ্রামের কথা মনে করতে করতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছে সে খেয়াল তার নেই। প্রায় ঘন্টাখানেক পরে কন্টডাকটারের ডাকে ঘুম ভাঙতে দেখে পাশে ইন্দ্রাণী বসে। ইন্দ্রাণী বলল কি, “বাবুর ঘুম ভাঙল। অভি : হ্যাঁ, এই আর কি। তা তুই হঠাৎ? ইন্দ্রাণী : সুমি কাছে খবর পেলাম তুই আসছিস তাই চলে এলাম। অভি : তাই বলে এখানে, মানে বাসে কীভাবে? ইন্দ্রাণী : আরে পাগল পরের স্টপেজেই বাস থামবে ওখানে বড় মেলা হচ্ছে। তাই বাসের নো এন্ট্রি। চল ওখানে নেমে আমরা একটু মেলা ঘুরে বাড়ি যাব। অভি : আচ্ছা। মেলায় নেবে সবার মত অভি আর ইন্দ্রাণী একটু ঘোরাঘুরি করে ফুচকা, মালাই খেয়ে হাঁটাপথে বাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে যেতে ইন্দ্রাণী বলল, "অভি এবার একটা কিছু উপায় বের করিস নয়ত বাবা আমার বিয়ের জন্য খুব তাগাদা দিচ্ছে, আমি এই নয় ঐ নয় করে তিনটি বছর কাটিয়ে দিলাম এবার কি করব জানি না। আমি আসছি একটু ভেবে দেখিস, কাল বিকেলে সুমি পড়তে আসবে ওকে নিয়ে আসিস।” অভি : (মৃদু স্বরে বলল) হ্যাঁ। খোলা আকাশের নীচে গোধূলির শেষ প্রহরে ঝিঁঝিঁর ডাকের সাথে অভি এগিয়ে চলল কালো পিচ রাস্তা থে...

অ ন্ত রা লে (৬ ষ্ঠ খণ্ড) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
  অ  ন্ত  রা  লে (প্রচ্ছদ - ডঃ অসিত কুমার মাইতি)  অভি ঐ দিন আর ক্লাস বেশিক্ষণ না করেই ছুটি দিয়ে সোজাসুজি অপূর্বার বাড়ি চলে আসে । বাইরে শুভমিতা দাঁড়িয়ে ছিল । অভিকে দেখে কাছে এসে বলল — দিদির খুবই খারাপ অবস্থা , শুধু তোমাকে একবার দেখতে চাইছে । অভি হন্তদন্ত হয়ে অপূর্বার ঘরে এল । অপূর্বা বিছানায় শুয়ে তখন শেষ বাক্যালাপ এর প্রতীক্ষায় রয়েছে । অভি অপূর্বার পাশে গিয়ে বসতেই দেখল অপুর চোখের কোন থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে । নিজের হাতটা দিয়ে অপুর হাতটা ধরতেই , অপু বলল এই হাতটা ধরতে তোর এতগুলো দিন পার হয়ে গেল … আর কিছু বলতে পারল না । অভি ঢুকরে কেঁদে উঠলো , অপু আর নেই । অভি ছোট্ট বাচ্চার মতো কাঁদতে কাঁদতে বলল , মঙ্গলবারই তো বিয়ে করে নেব বলেছিলাম আর তুমি এখন ছেড়ে যাবে বললে হবে । এই বলে মন্দিরের সিঁদুর দিয়ে অপুর মাথা রাঙা করে দিল । কান্নায় স্বপ্নরেখা দেবী ভেঙে পড়েছে , অভি সান্তনা দিয়ে বলল — মা অপু তো যায়নি কোথায় যাবে , এই দেখো আমি তো ওকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দিয়েছি । অপুর কোনো ভাই ছিল না তাই অভিই অপূর্বার শেষ কাজ সম্পন্ন করল । চিতাগ্নির কাছে...

অ ন্ত রা লে (৫ ম খণ্ড) - ডঃ অসিত কুমার মাইতি

Image
  অ  ন্ত  রা  লে (প্রচ্ছদ - ডঃ অসিত কুমার মাইতি)  অভিরাজ এরপর বারংবার যোগাযোগ করতে চেয়েও করতে পারেনি , শেষমেশ বাধ্য হয়ে কারণটা জানতে কলকাতায় অপূর্বার নার্সিংহোমে চলে এল । নার্সিংহোমের রিশেপশানিষ্ট কে অপূর্বার কথা জিজ্ঞেস করতে বলল , উনি এক মাস ছুটিতেই আছে । অভি ফিরে আসে । এক মাস পর আবারও নার্সিংহোমে এসে খোঁজ নিল , পুনরায় রিশেপশানিষ্ট বলল , ম্যাডাম একটি এমারজেন্সি লিভ নিয়েছেন তিন দিন আগে । কোনো বিশেষ সূচনা থাকলে জানাতে পারেন আমরা খবর করে দেব । কথাটা শেষ হতে না হতেই , অভির ফোনে একটি অপরিচিত ফোন আসে – ফোনটা ধরতেই ফোনের ওপার থেকে বলল , দাদা আমি অপু দিদির পাশের বাড়ির ভাই অর্ঘ । অভি জিজ্ঞেস করল – ভাই দিদি কোথায় ? ওদিকে সবকিছু ঠিক আছে তো ? অর্ঘ   ভয়ে বলল - না , দাদা এখানে কিছুই ঠিক নেই । দিদি মাস খানেক ধরে অসুস্থ , সারাদিন বিছানাতেই রয়েছে বার দুয়েক ডাক্তার ও এসেছিল । এখন বাড়িতেও অবস্থা খুবই খারাপ , অক্সিজেন সিলিন্ডার চলছে । তুমি জান কিনা জানি না , আমাকে শুভমিতা ( অপূর্বার বোন ) একবার এটা জানাতে বলেছিল । তুমি পারলে একবার এসো । রাখ...